মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
কাজী আঃ মান্নান নিকাহ রেজিঃ বিধিমালা লঙ্ঘন করে চাকুরি করছেন উদাখালী বিদ্যালয়ে গাইবান্ধা পৌর ঘাঘট লেক উন্নয়ন প্রকল্পের দুটি কাজের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করলেন হুইপ গিনি পলাশবাড়ীর কিশোরগাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান রিন্টুসহ ৬ জুয়ারু আটক সালমান শাহ’র জন্মদিনে শাবনূরের ভিডিওবার্তা ৫৯ অনিবন্ধিত আইপি টেলিভিশন বন্ধ করল বিটিআরসি সাদুল্যাপুরে ভাইয়ের লাঠির আঘাতে বড় ভাই নিহত তৃণমূল নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগের প্রাণ -তথ্যমন্ত্রী হাসান মাহমুদ মাদক খাতে বছরে লেনদেন কয়েক হাজার কোটি টাকা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের ভেলায় চরে আটরশি দরবার শরীফে ছুটছেন ভক্তরা গাইবান্ধায় প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে জেলা তথ্য অফিসারের মতবিনিময়
নোটিশ

জেলা/উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ : সাপ্তাহিক গাইবান্ধার বুকে প্রিন্ট ও অনলাইন পত্রিকার জন্য গাইবান্ধা  জেলার বিভিন্ন উপজেলাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা , উপজেলা, থানা, বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান/এলাকায় প্রনিতিধি নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাসপোর্ট সাইজের এক কপি ছবিসহ সরাসরি অথবা ডাকযোগে সম্পাদক বরাবর আবেদন করুন

প্রকাশক সম্পাদক, সাপ্তাহিক গাইবান্ধার বুকে , গোডাউন রোড, কাঠপট্টী, গাইবান্ধা। ফোন: : ০১৭১৫-৪৬৪৭৪৪, ০১৭১৩-৫৪৮৮৯৮,

ভোজ্যতেলের বাজার অস্থির

অনলাইন ডেস্ক / ৭১ Time View
Update : শনিবার, ২২ মে, ২০২১, ৬:০৬ পূর্বাহ্ন

চট্টগ্রামে ভোজ্যতেলের বাজার আবারো অস্থির হয়ে উঠেছে। সরকার নির্ধারিত দামে কোথাও ভোজ্যতেল বিক্রি হচ্ছে না। আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দাম বৃদ্ধির অজুহাতে অতিরিক্ত দাম আদায় করা হচ্ছে। সপ্তাহের ব্যবধানে সয়াবিন ও পামের দাম বেড়েছে। এদিকে, লেয়ার ও সোনালি মুরগির দাম বাড়লেও বিভিন্ন সবজির দাম কমেছে।

বাজারে বোতলজাত সয়াবিন পাঁচ লিটার বিক্রি হচ্ছে ৬৭০ টাকা থেকে ৬৭৫ টাকা, আগের সপ্তাহে ছিল ৬৬৫ টাকা। খোলা সয়াবিন প্রতিলিটার ১২৫-১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে দাম ছিল ১১৮-১২২ টাকা। পাম তেলের মধ্যে খোলা প্রতি লিটার বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১১৫ টাকা, সাত দিন আগে ছিল ১০৮ টাকা। চট্টগ্রামের উপজেলাগুলোতে এসব ভোজ্যতেল আরও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

চাক্তাই-খাতুনগঞ্জের ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীরা জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়েছে। ঈদের আগে প্রতিমণ ভোজ্যতেল চার হাজার ৩৫০ থেকে চার হাজার ৪০০ টাকায় কেনা যেত। এখন তা বেড়ে চার হাজার ৭০০ থেকে চার হাজার ৮০০ টাকায় প্রতিমণ তেল বিক্রি হচ্ছে। ফেব্রুয়ারিতে সরকার ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারিত করে দেয়। সরকার নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন মিলগেটে ১০৭ টাকা, পরিবেশক ১১০ টাকা ও খুচরা ১১৫ টাকা সর্বোচ্চ মূল্য নির্ধারণ করা হয়। বোতলজাত প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম মিলগেটে ১২৩ টাকা, পরিবেশক ১২৭ টাকা ও খুচরা ১৩৫ টাকা এবং ৫ লিটার বোতলজাত সয়াবিন মিলগেটে ৫৮৫ টাকা, পরিবেশক ৬০৫ টাকা ও খুচরা ৬৩০ টাকা সর্বোচ্চ মূল্য নির্ধারণ করা হয়। খোলা পাম সুপার প্রতি লিটার মিলগেট ৯৫ টাকা, পরিবেশক ৯৮ টাকা ও খুচরা বাজারে ১০৪ টাকা সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ হয়।

নগরীর একাধিক বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সরকার নির্ধারিত দামে চট্টগ্রামের কোথাও ভোজ্যতেল বিক্রি হচ্ছে না। ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো দামে বিক্রি করছেন। নগরীর পাইকারি বাজারগুলোতে শুক্রবার নির্ধারিত দরের চেয়ে অনেক বেশি দামে ভোজ্যতেল বিক্রি হতে দেখা গেছে। প্রতি লিটার খোলা পাম সুপার তেল বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকার বেশি দামে।

নগরীর চকবাজার, কাজীর দেউড়ি, বহদ্দারহাট ছোট-বড় সব দোকানে নির্ধারিত দরের চেয়ে বেশি দামে তেল বিক্রি হচ্ছে। মূল্যতালিকায়ও ভোজ্যতেলের দাম লিখছেন না অনেক ব্যবসায়ী। ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো দাম আদায় করছেন ক্রেতার কাছ থেকে। খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদের পর থেকে আবার বাড়ছে ভোজ্যতেলের দাম। আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদার তুলনায় সয়াবিন ও পাম অয়েলের সরবরাহ কম থাকায় দেশের বাজারে প্রায় দুই থেকে আড়াই মাস ধরে ভোজ্যতেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী। ৮৮ টাকা লিটার দরের সয়াবিন তেল এখন বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়। ফলে সরকার নির্ধারিত দামে কেউ ভোজ্যতেল বিক্রি করতে পারছে না। খাতুনগঞ্জের ভোজ্যতেলের আড়তদার মহিউদ্দিন বলেন, হঠাৎ করে আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দাম বেড়েছে। ফলে চট্টগ্রামের পাইকারি বাজারেও এর দাম বেড়েছে। এর প্রভাবে খুচরা বাজার এখন গরম। হয়তো বাড়তি দাম বেশি দিন থাকবে না। দাম আবার কমে যেতে পারে।

এদিকে চট্টগ্রামে বেড়েছে লেয়ার ও সোনালি মুরগির দাম। ব্যবসায়ীরা জানান, বাজারে লেয়ার মুরগির সংকট রয়েছে তাই দাম বেড়েছে। বাজারে এক কেজি লেয়ার বিক্রি হচ্ছে ২৬০ টাকায়, সোনালি ২৫০ টাকা, দেশি মুরগি ৪৫০ টাকা ও ব্রয়লার ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। নগরীর দুই নম্বর গেট কর্ণফুলী কমপ্লেক্স ও চকবাজার ঘুরে দেখা যায়, এখনো খোলেনি সব দোকান। কিছু দোকান খোলা থাকলেও বাজারে ক্রেতা কম। বাজারে ৩০-৪০ টাকায় মিলছে সব সবজি। কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ৩০-৩৫ টাকায়। ছোট আকারের শসা ২৫-৩০ টাকা এবং বড় আকারের শসা ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া টমেটো ৩০-৪০ টাকা, বেগুন ৩০ টাকা, গাজর ২০ টাকা, কাকরোল ৪০ টাকা, ধন্দুল ৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৩০ টাকা, বরবটি ৩০-৪০ টাকা, পটল ৩০-৪০ টাকা, ঝিঙ্গা ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৩০-৪০ টাকা, লতি ৪০ টাকা, আলু ২০ টাকা, পেঁপে ২৫ টাকা, লাউ ২০ টাকা, কুমড়ো ২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়েছে। ভারতীয় পেঁয়াজ ৪০ থেকে বেড়ে ৪৫-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৫-৪০ টাকায়। রসুন ও আদার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। রসুন কেজিপ্রতি ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: