রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
নোটিশ

জেলা/উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ : সাপ্তাহিক গাইবান্ধার বুকে প্রিন্ট ও অনলাইন পত্রিকার জন্য গাইবান্ধা  জেলার বিভিন্ন উপজেলাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা , উপজেলা, থানা, বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান/এলাকায় প্রনিতিধি নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাসপোর্ট সাইজের এক কপি ছবিসহ সরাসরি অথবা ডাকযোগে সম্পাদক বরাবর আবেদন করুন

প্রকাশক সম্পাদক, সাপ্তাহিক গাইবান্ধার বুকে , গোডাউন রোড, কাঠপট্টী, গাইবান্ধা। ফোন: : ০১৭১৫-৪৬৪৭৪৪, ০১৭১৩-৫৪৮৮৯৮,

প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিজের শরীরে দেয়া আগুনেই গৃহবধূর মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক / ১০৪ Time View
Update : শুক্রবার, ২৮ মে, ২০২১, ৭:৫৭ পূর্বাহ্ন

নওগাঁ সদর উপজেলার শৈলগাছি ইউনিয়নের চকচাপাই গ্রামের নিহত গৃহবধূ রিতা বেগম (৩৫) প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিজের শরীরে আগুন লাগান। গত ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
নিহত রিতা বেগম চকচাপাই গ্রামের মোসলেম উদ্দিনের স্ত্রী। ওই ঘটনায় নিহতের মা রোকেয়া বাদী হয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তার মেয়েকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগে প্রতিপক্ষ আলামিন প্রামাণিক, সানোয়ার প্রামাণিক ও জলিল প্রামাণিকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন।
মামলার তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে বলে দাবি করেছেন জেলা পুলিশ সুপার আবদুল মান্নান মিয়া। বিষয়টি নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানান।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) উজ্জল হোসেন জানতে পারেন রিতা বেগম নিহতের ঘটনায় তার স্বামী মোসলেম উদ্দিন ও মেয়ে আরিফা ইয়াসমিন জড়িত। জমিজমা নিয়ে প্রতিপক্ষের সঙ্গে তাদের বিরোধ চলে আসছিল। তাদের ফাঁসাতেই রিতার শরীরের আগুন লাগানোর পরিকল্পনা করা হয়।
গত ২৪ এপ্রিল মোসলেম উদ্দিন জেলার রানীনগর উপজেলা ত্রিমোহনী বাজারে একটি মোবাইল ফোন কুড়িয়ে পান। এরপর রিতা, তার স্বামী ও মেয়ে মিলে পরিকল্পনা করে ওই ফোন থেকে হত্যার হুমকি দিয়ে নিজেদের ফোনে একটি এসএমএস পাঠান। বিষয়টি নিয়ে ২৯ এপ্রিল রিতা প্রতিপক্ষ আলামিন, সানোয়ার ও জলিলের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেন। ওইদিন রাতে রিতা নিজের শরীরে আগুন ধরিয়ে স্বামী ও মেয়ে চিৎকার করে লোক ডেকে আগুন নেভানোর পরিকল্পনা করে।
কিন্তু বাস্তবে ঘটে উল্টো ঘটনা। রিতা শরীরের আগুন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে আত্মরক্ষার্থে বাড়ির পাশে পুকুরে ঝাঁপ দেন। রাতেই তাকে উদ্ধার করে প্রথমে নওগাঁ সদর হাসপাতালে এবং পরে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। বুধবার বিকেলে নিহতের মেয়ে আরিফা খাতুন স্বেচ্ছায় সাক্ষীর ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে তার মায়ে মৃত্যুর ঘটনার বিবরণ দেন।
এদিকে, কুড়িয়ে পাওয়া মোবাইল ফোনটি রানীনগর উপজেলার নয়া হরিশপুর গ্রামের সাইফুল হোসেন নামের এক ব্যক্তির বলে শনাক্ত করে পুলিশ।
হত্যা মামলায় প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর ঘটনায় সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে নিহতের স্বামী ও সন্তানের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে কি-না, সে বিষয়টি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা ও আইনি বিষয় পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানান পুলিশ সুপার।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার একেএম মামুন খান চিশতী, আবু সাঈদ ও সুরাইয়া খাতুন, নওগাঁ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: