মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
কাজী আঃ মান্নান নিকাহ রেজিঃ বিধিমালা লঙ্ঘন করে চাকুরি করছেন উদাখালী বিদ্যালয়ে গাইবান্ধা পৌর ঘাঘট লেক উন্নয়ন প্রকল্পের দুটি কাজের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করলেন হুইপ গিনি পলাশবাড়ীর কিশোরগাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান রিন্টুসহ ৬ জুয়ারু আটক সালমান শাহ’র জন্মদিনে শাবনূরের ভিডিওবার্তা ৫৯ অনিবন্ধিত আইপি টেলিভিশন বন্ধ করল বিটিআরসি সাদুল্যাপুরে ভাইয়ের লাঠির আঘাতে বড় ভাই নিহত তৃণমূল নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগের প্রাণ -তথ্যমন্ত্রী হাসান মাহমুদ মাদক খাতে বছরে লেনদেন কয়েক হাজার কোটি টাকা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের ভেলায় চরে আটরশি দরবার শরীফে ছুটছেন ভক্তরা গাইবান্ধায় প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে জেলা তথ্য অফিসারের মতবিনিময়
নোটিশ

জেলা/উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ : সাপ্তাহিক গাইবান্ধার বুকে প্রিন্ট ও অনলাইন পত্রিকার জন্য গাইবান্ধা  জেলার বিভিন্ন উপজেলাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা , উপজেলা, থানা, বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান/এলাকায় প্রনিতিধি নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাসপোর্ট সাইজের এক কপি ছবিসহ সরাসরি অথবা ডাকযোগে সম্পাদক বরাবর আবেদন করুন

প্রকাশক সম্পাদক, সাপ্তাহিক গাইবান্ধার বুকে , গোডাউন রোড, কাঠপট্টী, গাইবান্ধা। ফোন: : ০১৭১৫-৪৬৪৭৪৪, ০১৭১৩-৫৪৮৮৯৮,

ভয়ঙ্কর সেই রাত : লোক বিশ্বাসের চমৎকার গল্প

স্টাফ রিপোর্টার / ১২৯ Time View
Update : সোমবার, ৩১ মে, ২০২১, ১২:৫৯ অপরাহ্ন

কখনো কি নিজের চোখে ভূত দেখেছেন? প্রশ্নটা যাকেই করা হোক, তিনি চোখ বন্ধ করে মাথা ঝাঁকিয়ে ডানে বামে নেড়ে না বোধক উত্তর দেবেন। আমি জানি আপনিও পারবেন না। ভূতের গল্প আপনি শুনেছেন। কার কাছ থেকে শুনেছেন? আপনার দা-দাদীমার মুখে, কিংবা আপনার নানা-নানীর মুখে। উনি আবার শুনেছেন উনার দাদীমা বা নানীর মুখে বা কোনো ফুফাত- খালাতো ভাই বা বোনের মুখে, তিনি আবার অন্য কোন এক আত্মীয় বা পাড়া-পড়শীর মুখে শুনেছেন। এভাবে যে মানুষটা ভ‚ত দেখেছেন, তাকে খুঁজেই পাওয়া যাবে না কোনোদিন। আসলে বাংলার ভূতের গল্পগুলো এই আত্মীয় তত্তে¡র বেড়াজাল থেকে কখনোই বের হতে পারেনি। সকলেই ভ‚তের নানা কাহিনি শুনেছেন, কেউই ভ‚ত দেখেননি। আমি মনে করি, ভয়টা লোক বিশ্বাসের মতো, শুনে শুনেই আমরা ভুতের ভয় পাই। তবে ভ‚তের বা ভয়ের গল্প সবসময়ই জনপ্রিয় ছিল। এখনও সমান জনপ্রিয় ভ‚তের গল্প। ভারতীয় অনেক টিভি চ্যানেলে ইদানীং ‘আহট’ নামে হরর বা ভৌতিক সিনেমা প্রচারিত হয়।

বিশিষ্ট সাংবাদিক-লেখক গোবিন্দলাল দাসের ‘ভয়ঙ্কর সেই রাত’ এমনি ভৌতিক কয়েকটি গল্পের সংকলন। বইটি সম্প্রতি বাজারে এসেছে। বইটিতে নৃশংস পোড়ো বাড়ি, ভয়ঙ্কর সেই রাত, ভ‚তের সাথে এক রাত, অতৃপ্ত আত্মার কান্না, ভ‚ত নিয়ে গল্প ও একটি জ্যান্ত ভ‚তের গল্প নামে ছয়টি গল্প স্থান পেয়েছে। প্রত্যেকটি গল্প আত্মজৈবনিক রীতি বা প্রথম পুরুষে লেখা হয়েছে। গল্পগুলোতে লেখকের প্রখর কল্পনা শক্তির পরিচয় মেলে, তাঁর কল্পনা শক্তির কথা চিন্তা করলেও বিষ্মিত হতে হয়। গল্পগুলোতে অবাধ কল্পনার ব্যবহার লেখকের শক্তিমানতারও পরিচয় পাওয়া যায়।

তবে ভ‚ত বলে যে কিছু নেই বা আগেও ছিল না, তা ‘একটি জ্যান্ত ভ‚তের গল্প’ পড়লে কিছুটা অনুধাবন করা সম্ভব। লেখক গল্পের এক জায়গায় বলেছেন,“ আমাদের শ্মশান নিয়ে অনেক কথা লোকের মুখে মুখে। তাতে রাতে কেউ একা ওপথে যেতে সাহস পায় না। ওখানে রাতে নাকি হাতি, ঘোড়া, বাঘ, ভালুক আরও অনেক জন্তু-জানোয়ার ঘোরাঘুরি করে। ভ‚তপ্রেতরাই নাকি এসব ছদ্মবেশ ধরে ঘুরে বেড়ায়। মানুষকে ভয় দেখায়। তাই পারতপক্ষে শ্মশানের ওই রাস্তা কেউ মাড়ায় না। অবশ্য বিষু এসব ভ‚তপ্রেত বিশ্বাস করে না। তাই ওর পক্ষেই শ্মশানে একা যাওয়া সম্ভব। কিন্তু ও ভয় না পেলে কি হবে, আমরা তো ছাড়বো না। আমরা তো ওকে ভয় পাওয়াবোই। সবাই মিলে একটা বুদ্ধি পাকিয়ে ফেললাম। সত্যি যদি ভ‚ত বলে কিছু না থাকে, তাহলে তো ওর পোয়াবারো। কিন্তু সে সুযোগ ওকে দেবো না। আমরা ওকে ভয় দেখাবোই। জ্যান্ত ভ‚তের কাÐ দেখে ও নিশ্চয়ই ভয় পাবে।”লেখকের এই সরল স্বীকারোক্তি থেকে বোঝা যায়, আসলে ভ‚তের সব কীর্তিকলাপ মানুষেরই তৈরি করা।

‘ভয়ঙ্কর সেই রাত’ গল্পগ্রন্থে লেখক গোবিন্দলাল দাস ঝোপ-জঙ্গলে ঘেরা প্রাচীন গ্রামীণ জনপদ, দুর্ভোগময় কষ্টকর যাতায়াত ব্যবস্থা, বাহন ইত্যাদি অত্যন্ত বিশ্বস্ততার সাথে তুলে ধরেছেন। সবমিলে বলা যায় তাঁর গল্পগুলো চমৎকার এবং শিল্পসম্মত। বইটি পড়লে সব বয়সী পাঠকই ভয়ের, রহস্যের অনুভ‚তির স্বাদ পাবেন।

২০২১ সালের একুশে বইমেলা উপলক্ষে বইটি প্রকাশ পেয়েছে। শব্দ প্রকাশনী থেকে বইটি প্রকাশ করেছেন কবি সরোজ দেব। বইটির প্রচ্ছদ করেছেন পিটু রশিদ। বইটির বহুল প্রচার কামনা করি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: