শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১, ০৯:০৩ অপরাহ্ন
নোটিশ

জেলা/উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ : সাপ্তাহিক গাইবান্ধার বুকে প্রিন্ট ও অনলাইন পত্রিকার জন্য গাইবান্ধা  জেলার বিভিন্ন উপজেলাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা , উপজেলা, থানা, বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান/এলাকায় প্রনিতিধি নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাসপোর্ট সাইজের এক কপি ছবিসহ সরাসরি অথবা ডাকযোগে সম্পাদক বরাবর আবেদন করুন

প্রকাশক সম্পাদক, সাপ্তাহিক গাইবান্ধার বুকে , গোডাউন রোড, কাঠপট্টী, গাইবান্ধা। ফোন: : ০১৭১৫-৪৬৪৭৪৪, ০১৭১৩-৫৪৮৮৯৮,

কীভাবে লোকে এই পোস্টবক্সে চিঠি ফেলবে?

অনলাইন ডেস্ক / ৮৪ Time View
Update : শনিবার, ১২ জুন, ২০২১, ১:৪১ অপরাহ্ন

আধুনিক প্রযুক্তির উৎকর্ষতার যুগে মানুষ এখন ভুলেই গেছে কাগজে চিঠি লেখার কথা। একসময় আমাদের চারপাশে দেখতে পাওয়া খুবই পরিচিত পোস্টবক্সগুলো এখন শৈশবের স্মৃতি হিসেবে রয়ে গেছে। তবে জাপানের পোস্টবক্সটি একটু ভিন্নমাত্রার। আর তাতে চিঠি ফেলা অনেকের কাছে এক নতুন অভিজ্ঞতা।

জাপানের নিশিমুরো জেলার ওয়াকায়ামায় মাছ উৎপাদনের জন্য পরিচিত এক জনপ্রিয় শহর সুসামি। প্রায় ১৭৪.৭১ বর্গ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে শহরটি বিস্তৃত। প্রায় পাঁচ হাজার লোকের বাস এখানে। অধিকাংশই পেশায় মৎস্যজীবী। বেশ ছিমছাম আর সুন্দর এ শহরের পরিবেশ। সমুদ্র উপকূলবর্তী হওয়ায় শহরের কাছেই রয়েছে দর্শনীয় সমুদ্রতট। প্রতিবছর এখানে বিপুল সংখ্যক পর্যটক আসেন গভীর সমুদ্রে ডাইভিংয়ের জন্য। এর বাইরে আরও একটি রোমাঞ্চকর অভিযানের নেশায় তারা ছুটে আসেন এখানে।

১৯৯৯ সালের এপ্রিলে পর্যটনের প্রসার ঘটানোর জন্য এখানকার স্থানীয় প্রশাসন সমুদ্রের তলদেশে পোস্টবক্স স্থাপনের এক অদ্ভুত পরিকল্পনা গ্রহণ করে। তৎহিকো মাতসুমোতো নামের এক ৭০ বছরের পোস্টমাস্টার সমুদ্রের তলদেশে এই পোস্টবক্সের ধারণাটি পর্যটন অধিদফতরের কাছে প্রস্তাব করেছিলেন।

সমুদ্রসৈকত থেকে ১০ মিটার দূরে এবং প্রায় ৩২ ফুট গভীরে এই পোস্টবক্স স্থাপন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু কীভাবে লোকে এই পোস্টবক্সে চিঠি ফেলবে? আর কীভাবেই সেই চিঠি সমুদ্রের পানিতে নষ্ট না হয়ে যথাযথ প্রাপকের কাছে পৌঁছে দেওয়া যাবে? সে ভাবনা থেকে সিদ্ধান্ত হয়, পর্যটকরা ওয়াটারপ্রুফ কাগজে এবং ওয়াটারপ্রুফ মার্কার পেন দিয়ে চিঠি লিখে সমুদ্রের জলের নিচে গিয়ে সে পোস্টবক্সে চিঠি পোস্ট করতে পারবেন। ফলে সমুদ্রের জলে ডাইভিং করার রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা আর প্রিয়জনের কাছে তার মনের ভাব প্রকাশের ইচ্ছেয় চিঠি লিখে সেই পোস্টবক্সে চিঠি ফেলে আসেন।

প্রতিবছর হাজার হাজার চিঠি জমা পড়ে এই ডাকবাক্সে। পোস্টবক্স স্থাপনের পর থেকে এখন পর্যন্ত এই ডাকবক্সে প্রায় ৩২ হাজার চিঠি পড়েছে। ২০০২ সালে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে এই অদ্ভুত পোস্টবক্সটি স্থান করে নেয়। আর এর আকর্ষণে প্রতিবছর বিপুল সংখ্যক পর্যটক জাপানের সুসামি শহরে জড়ো হন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: