বুধবার, ০৪ অগাস্ট ২০২১, ০২:২৯ অপরাহ্ন
নোটিশ

জেলা/উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ : সাপ্তাহিক গাইবান্ধার বুকে প্রিন্ট ও অনলাইন পত্রিকার জন্য গাইবান্ধা  জেলার বিভিন্ন উপজেলাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা , উপজেলা, থানা, বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান/এলাকায় প্রনিতিধি নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাসপোর্ট সাইজের এক কপি ছবিসহ সরাসরি অথবা ডাকযোগে সম্পাদক বরাবর আবেদন করুন

প্রকাশক সম্পাদক, সাপ্তাহিক গাইবান্ধার বুকে , গোডাউন রোড, কাঠপট্টী, গাইবান্ধা। ফোন: : ০১৭১৫-৪৬৪৭৪৪, ০১৭১৩-৫৪৮৮৯৮,

ভাগ্যরাজ পারবে কি ভাগ্য ফেরাতে?

অনলাইন ডেস্ক / ৯০ Time View
Update : সোমবার, ২৮ জুন, ২০২১, ৮:২২ অপরাহ্ন

ঈদের আর মাত্র আর কিছুদিন বাকি। এখনও কোনো গ্রাহক দাম করতে আসেনি দুর্গাপুর উপজেলার সবচেয়ে বড় ষাঁড় গরু ‘ভাগ্যরাজ’ এর। প্রায় ২৭ মণ ওজনের এই গরু নিয়ে এখন দুশ্চিন্তার যেন শেষ নেই চণ্ডীগড় ইউনিয়নের খামারি মো. আজিজুল হকের।

এ নিয়ে আজিজুল জানান, বর্তমান করোনা প্রেক্ষাপটে এত বড় গরু নিয়ে পশুর হাটে যাওয়া অনেক ঝামেলা। অত্র এলাকায় এখনো কোরবানির হাটের কোনো সিদ্ধান্ত না হওয়ায় হাটেই তোলা হয়নি গরুটি। উপযুক্ত দামে বাড়ি থেকেই বিক্রি করতে চান তিনি।

ঈদের আর মাত্র কিছু দিন বাকি থাকলেও ক্রেতাদের তেমন সাড়া মিলছে না। এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন আজিজুল। এবার ভাগ্যরাজের দাম ঠিক না করলেও ১৩ লাখ টাকায় বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে উপযুক্ত দাম পেলেই গরুটি বিক্রি করে দিবেন বলে জানিয়েছেন।

দুশ্চিন্তা নিয়ে তিনি বলেন, কী জানি, ভাগ্যরাজ কী আমার ভাগ্য ফেরাতে পারবে?

খামারি আজিজুলের ভাগ্যরাজ খুবই শান্ত প্রকৃতির। লম্বায় সাড়ে প্রায় ৭ ফুটেরও বেশি এবং হলস্টেইন ফ্রিজিয়ান জাতের সাদা কালো রংয়ের। এর ওজন বলা হচ্ছে প্রায় ২৭ মণ।

খামারির দাবি এটি অত্র উপজেলা সবচেয়ে বড় কোরবানির গরু। দুর্গাপুর উপজেলার চণ্ডীগড় গ্রামের আজিজুলের খামারে লালন-পালন হচ্ছে সেরা এই গরুটি। তিনি সখ করে গরুটির নাম রেখেছেন ভাগ্যরাজ। সারা বছর গরু লালন-পালন করেই চলে তার সংসার। গত কয়েক বছর ধরে দেশীয় পদ্ধতিতে কোরবানির পশু মোটাতাজাকরণ করে কোরবানির ঈদ আসলেই সেগুলো বিক্রি করেন আজিজুল।

ইতোমধ্যে ফেসবুকের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে গরুটি কিনতে প্রায় ৯ লাখ টাকা পর্যন্ত দাম করেছেন ক্রেতারা। আজিজুলের ইচ্ছে ১৩ লাখ টাকায় বিক্রি করার।

বর্তমানে করোনা দুর্যোগের কারণে এবার গরুর বাজার মন্দা থাকায় চিন্তায় আছেন আজিজুল। দেশের অন্যান্য এলাকা থেকে বেপারীরাও গ্রামে আসছে না। কিন্তু এত বড় গরু লালন-পালনে খরচও অনেক। তাই ভাগ্যরাজকে এবার বিক্রি করতেই হবে তার। উপযুক্ত দামে গরুটি খামার থেকেই বিক্রি করতে চান তিনি। এমনকি বাড়িতে পৌঁছানোর দায়িত্বও তিনি নিবেন বলে জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: