বুধবার, ০৪ অগাস্ট ২০২১, ০৩:৫৪ অপরাহ্ন
নোটিশ

জেলা/উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ : সাপ্তাহিক গাইবান্ধার বুকে প্রিন্ট ও অনলাইন পত্রিকার জন্য গাইবান্ধা  জেলার বিভিন্ন উপজেলাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা , উপজেলা, থানা, বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান/এলাকায় প্রনিতিধি নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাসপোর্ট সাইজের এক কপি ছবিসহ সরাসরি অথবা ডাকযোগে সম্পাদক বরাবর আবেদন করুন

প্রকাশক সম্পাদক, সাপ্তাহিক গাইবান্ধার বুকে , গোডাউন রোড, কাঠপট্টী, গাইবান্ধা। ফোন: : ০১৭১৫-৪৬৪৭৪৪, ০১৭১৩-৫৪৮৮৯৮,

সাঘাটায় সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্রহ্মপুত্র-যমুনা বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ

স্টাফ রিপোর্টার / ৯৬ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৯ জুন, ২০২১, ৬:৪৬ অপরাহ্ন

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলা এলাকার ব্রহ্মপুত্র-যমুনা বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধটি দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষনের অভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বাঁধের উপর অবৈধ জনবসতি এবং বিভিন্ন স্থাপনা গড়ে উঠায় প্রতিবছর বন্যার সময় মারাত্মকভাবে ভাঙন হুমকিতে পড়ে বাঁধটি। অথচ দেখার কেউ নেই।

জানা গেছে, ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নদীর ডানতীর রক্ষাকল্পে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বিগত ১৯৬৮ সালে এ বাঁধটি নির্মাণ করে। প্রথমদিকে গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ড বাঁধটি রক্ষণাবেক্ষণ করলেও আশির দশকের পর থেকে রক্ষণাবেক্ষণ, সংস্কারের অভাবে বাঁধটি দখল করে গড়ে উঠেছে জনবসতিসহ বিভিন্ন ধরণের অসংখ্য স্থাপনা। এমনকি বাঁধ কেটে ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করায় বাঁধটি অতিরিক্ত সরু হয়ে গেছে। এছাড়া বাঁধের মাটি কেটে নিয়ে নিজেদের ঘরের স্থান উঁচু করে নেয়া হয়েছে। ঘরের পাশে খরের স্তুপ রাখায় বাঁধটিতে অসংখ্য ইঁদুর গর্ত করেছে। এতে দুর্বল হয়ে পড়েছে এ বাঁধটি। বন্যায় এ সমস্ত গর্ত দিয়ে পানি চুঁইয়ে পড়ায় বাঁধের বিভিন্ন পয়েন্টে ধসে যাওয়ার আশংকা রয়েছে।

উপজেলার জুমারবাড়ী ইউনিয়নের বসন্তেরপাড়া গ্রাম হতে শুরু করে সাঘাটা ইউনিয়নের বাঁধের কোথাও দু’পাশের ঢালু খাড়া করে কেটে সমতল করে সেখানে কোথাও আবার বাঁধের উপর ঘরবাড়ি তুলে লোকজন বসবাস করছে। বিশেষ করে ঘুড়িদহ ইউনিয়নের ডাকবাংলা বাজার এলাকা হতে সাঘাটা ইউনিয়নের বাশহাটা পর্যন্ত এ বাঁধের অবস্থা বেশী শোচনীয়।

এব্যাপারে সাঘাটা ইউপি চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন সুইট জানান, বাঁধে বসবসাসরত এসব পরিস্কারে স্থায়ীভাবে আশ্রয়ের ব্যবস্থা করে বাঁধটি মুক্ত করে সংস্কার করা জরুরী। গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ড জানা গেছে, বাঁধের উপর জনবসতি সরিয়ে নেয়ার ব্যাপারে শক্ত কোন নির্দেশনা আসেনি। সংস্কার করার জন্য এই মুহুর্তে কোন বরাদ্দ নেই। বাঁধটি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য জনবল না থাকায় তদারকি এবং রক্ষণাবেক্ষন করা সম্ভব হয়নি। তবে বরাদ্দ পেলে বাঁধটির প্রয়োজনীয় সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: