fbpx
বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২২, ১২:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
গাইবান্ধায় শীতজনিত রোগী বাড়ছে গোবিন্দগঞ্জে অক্টোবরের ভালো চাল আত্মসাত করে জানুয়ারিতে দিলেন পঁচা চাল বিয়ের প্রলোভনে গৃহবধূকে ৮ বছর ধর্ষণ দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৩ তম সাদুল্যাপুরের নলডাঙ্গার চেয়ারম্যান প্রার্থীকে আওয়ামীলীগ থেকে বহিস্কার গাইবান্ধায় অসহায় শীতার্ত মানুষের মধ্যে কম্বল বিতরণ সংসদে বিল: সব জেলা পরিষদে সমান সদস্য থাকছে না, বসানো যাবে প্রশাসক গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে ৫ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের সরকারি বই সাড়ে ২৭ হাজার টাকায় বিক্রি পঞ্চমবার বিয়ের পিঁড়িতে চিত্রনায়িকা পরীমনি মিহির ঘোষসহ নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবিতে বাম জোটের বিক্ষোভ

যে কারণে দাড়ি ওঠে মেয়েদের মুখে

অনলাইন ডেস্ক / ২৩৩ Time View
Update : শনিবার, ৩ জুলাই, ২০২১, ৮:১৫ অপরাহ্ন

হরমোন মানব শরীরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।  হরমোনের নানাবিধ সমস্যার কারণে শরীরে সৃষ্টি হতে পারে অনেক রোগ।  পুরুষ ও নারী হওয়া হরমোনের মাধ্যমেই সণাক্ত হয়। সঠিক সময়ে হরমোনের চিকিৎসা করানো গেলে সুস্থ হওয়া সম্ভব।

পুরুষের মতো অনেক মেয়ের মুখেও স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি লোম দেখা যায়। চিকিৎসা বিজ্ঞানে এ অবস্থাকে হিরসুটিজম বলা হয়। যেকোনো বয়সের মহিলাদের বেলায়ই ব্যাপারটি অত্যন্ত বিরক্তিকর। বিশেষ করে তরুণী বা কম বয়সী মেয়েদের ক্ষেত্রে তা হয় মহা বিরক্তিকর।

সাধারণভাবে নারীদের মুখে অতিরিক্ত গোঁফ-দাড়ি হওয়াকে কোনো-না-কোনো রোগের লক্ষণ বলে ধরে নেয়া হয়। তবে অনেক সময় কোনো রোগ ছাড়াও মহিলাদের মুখে সামান্য লোম থাকতে পারে। বংশগত কারণেই এমনটি বেশি হয়ে থাকে। লোমের পরিমাণ অথবা প্রকৃতি বিভিন্নজনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকমের হতে পারে।

ধরে নেয়া হয়, মহিলাদের শরীরে এন্ড্রোজেন নামক হরমোনের আধিক্যই এ রোগের কারণ। এই এন্ড্রোজেন মূলত পুরুষ দেহে বিদ্যমান একটি হরমোন। তবে মহিলাদের শরীরেও এ হরমোন অল্পমাত্রায় বিদ্যমান থাকে। কোনো কারণে যদি এ হরমোনের মাত্রা মহিলাদের শরীরে বেড়ে যায় তা হলে মহিলাদের শরীরে এ রকম অতিরিক্ত মাত্রায় গোঁফ-দাড়ি গজাতে থাকে। তা ছাড়া শরীরে এন্ড্রোজেনজাতীয় হরমোনের কার্যক্ষমতাকে কমিয়ে দিতে পারে বা বিরত রাখতে পারে এমন প্রোটিনজাতীয় একটি পদার্থ স্বল্পতার কারণেও এ রকম অবস্থায় সৃষ্টি হতে পারে।

যা বলছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক

এ ব্যাপারে হরমোন, ডায়াবেটিস ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. সুলতানা মারুফা শেফিন বলেন, মেয়েদের মুখে দাড়ি হওয়া হরমোনজনিত সমস্যা। ছেলেদের মুখে সময়মতো দাড়ি না ওঠাও আরেকটি হরমোনগত সমস্যা।

তিনি বলেন, প্রথমে আমাদের দেখতে হবে এটা বংশগত কিনা। কারণ অনেকের বংশে দাড়ি, গোঁফ কম হয়। যারা দাড়ি রাখেন তাদের মুখের দিকে তাকালে কিন্তু বোঝা যায়। সবার দাড়ির ঘনত্ব কিন্তু একই রকম নয়।  আর একেবারে যদি দাড়ি না উঠে, তাহলে তাকে হরমোন বিশেষজ্ঞের কাছে পরামর্শ নিতে হবে সময়মত। একই সাথে তার অন্ডকোষ ঠিক আছে কিনা, দেখতে হবে। পেনিস (লিঙ্গ) ঠিক আছে কিনা, সাইজ ঠিক আছে কিনা দেখতে হবে। দাড়ি ওঠার যে হরমোন তা অন্ডকোষ থেকে তৈরি হয়। এ জাতীয় কোনো সমস্য হলে উন্নত চিকিৎসা রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: