বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
নোটিশ

জেলা/উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ : সাপ্তাহিক গাইবান্ধার বুকে প্রিন্ট ও অনলাইন পত্রিকার জন্য গাইবান্ধা  জেলার বিভিন্ন উপজেলাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা , উপজেলা, থানা, বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান/এলাকায় প্রনিতিধি নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাসপোর্ট সাইজের এক কপি ছবিসহ সরাসরি অথবা ডাকযোগে সম্পাদক বরাবর আবেদন করুন

প্রকাশক সম্পাদক, সাপ্তাহিক গাইবান্ধার বুকে , গোডাউন রোড, কাঠপট্টী, গাইবান্ধা। ফোন: : ০১৭১৫-৪৬৪৭৪৪, ০১৭১৩-৫৪৮৮৯৮,

বিয়ে করে প্যারায় আছেন গাইবান্ধার ভাইরাল শ্যামল!

স্টাফ রিপোর্টার / ২১৮ Time View
Update : সোমবার, ১৬ আগস্ট, ২০২১, ৯:৫৪ অপরাহ্ন

কথায় কথায় ইংরেজী বলা বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ইউটিউবসহ ইন্টারনেট দুনিয়ায় “সি ইউ নট ফর মাইন্ড” “হ্যাভি রিল্যাক্স” খ্যাত ভাইরাল যুবক শ্যামল চন্দ্র বর্মন(৩০)।

বাড়ি গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার মনমথ গ্রামে। পেশায় বেসরকারি রেলওয়ের একজন চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারী। বাবা নেপাল চন্দ্র মাছ ব্যবসায়ী। মা সেফালী রানী গৃহিনী। ছোট বেলা থেকেই শ্যামল সহজ সরল ও সৎ। চলনে বলনে কথা বার্তায় সারল্য ও সরলতার ছাপ রয়েছে শ্যামলের মধ্যে।

সম্প্রতি রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার পুটিমারী গ্রামে বিয়ে করেন শ্যামল। তার বিয়ের খবরও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ গণমাধ্যমে ফলাও করে প্রকাশ করেছে।

সরেজমিনে সুন্দরগঞ্জের বামনডাঙ্গা রেলষ্টেশনে গিয়ে দেখা হয় শ্যামল চন্দ্রের সাথে। ষ্টেশন চত্বরে বসে ট্রেনের টিকেট বিক্রি করছেন তিনি। এর মধ্যে বিভিন্ন জেলা থেকে আসা তার ভক্তরা সেলফি তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন।

পরে কথা হয় শ্যামল চন্দ্রের সাথে তিনি বলেন, “আমি কিভাবে ভাইরাল হলাম তা নিজেও জানিনা, সব আল্লাহ তালার ইচ্ছা। এতদুর আসা ও ভাইরাল হওয়ার পেছনে রাশেদুল ইসলাম রাশেদ নামে স্থানীয় এক সংবাদকর্মীর অবদানের কথা বলেন”।

বিয়ের প্রশ্ন তুলতেই শ্যামল বলেন, ‘বিয়ে করে প্যারার মধ্যে আছি, চলতি মাসের ১২ তারিখে বিয়ে করেছি। এখন পর্যন্ত বিছানায় যাইনি। বিয়ের আত্বীয় স্বজন বাড়িতে থাকায় সব কাজ তিন ভাই মিলে করতে হচ্ছে। যার কারনে ‘জাস্ট ইট ফর অনলি’ চেহারা একটু খারাপ হইছে’। ইংরেজী ছাড়া কথা বলেন না ক্যানো এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমি আসলে ‘ইন এ হাউজ টাইম’ ইংলিশ বলি আরকি।

বাংলাদেশ রেলওয়ের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করি যাত্রীদের কে বুঝাইতে হয় যে ‘ল্যাংগুয়েজে’যে ফুলে যে প্রভূ আসলে পূজা। তাছাড়া বিভিন্ন টুরিষ্টরা ষ্টেশনে আসে তাদের সাথে কথা বলতে ‘সামথিং টু সামথিং টকিং’ করি। করোনা ভাইরাস বিষয়েও সতর্ক করেন শ্যামল। করোনায় এই সময়ে আমরা অনেক গুনী ব্যক্তিকে হারিয়েছে। সবাই মাস্ক ব্যবহারের পাশাপাশি বাসায় যাওয়ার পর ভালভাবে হাতমুখ ধুয়ে খাবার টেবিলে বসার কথা বলেন। সর্বোপরি তিনি বলেন, আমি যে ভাইরাল হয়েছি এতে আমার কোন অনুভূতি নাই। আগের যে শ্যামল দা আপনাদের মাঝে বেঁচে আছে এখনও সেই শ্যামল দা আছে, যতদিন বাঁচব শ্যামল দা থাকবে। আমার কোন অহংকার বা‘মুভমেন্ট’ কারো সাথে কোন খারাপ ইয়ে বা খারাপ আচরন করা এ ধরনের কোন মুভমেন্ট নিয়া মাথায় রাখিনা বা মাথায় নিয়ে ঘুরি না। আমি ছোট বড় এভরিথিং যারা আছে আমি সবাইকে সস্মান দিয়ে কথা বলি। আমি আগে থেকে এটা, ভাইরাল হওয়ার সাথে সাথ না। শ্যামল চন্দ্র বর্মন ভাইরাল হওয়ার পেছনে যাদের অবদান তারা হলেন রাশেদুল ইসলাম রাশেদ ও জয়ন্ত সাহা জতন।

রাশেদ বলেন,‘আমার একটা ইউটিউব চ্যানেল আছে ‘আড্ডা মিডিয়া ৭১’ নামে। সখের বশে শ্যামল দার সহজ সরল বক্তব্য ইউটিউবে আপ করি। আপ করার আট মাস পর আমার এক সহকর্মী জয়ন্ত সাহা জতন এক চায়ের আড্ডায় ভিডিওটি দেখে ডাউনলোড করে ফেসবুকে পোষ্ট করে। পরে মুহূর্তেই শেয়ার ও লাইক বাড়তে বাড়তে এক সময় ভাইরাল হয়ে যায়। শ্যামল ভাইরাল হওয়ায় খুশি এলাকাবাসীও। সে যেহেতু রেলওয়ের সামান্য একজন কর্মচারী তার নির্দিষ্ট পেশা নাই। তার একটা নির্দিষ্ট পেশার ব্যবস্থা করার দাবি জানান তারা। তার মেধার সঠিক ব্যবহারের কথাও বলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: