বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
নোটিশ

জেলা/উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ : সাপ্তাহিক গাইবান্ধার বুকে প্রিন্ট ও অনলাইন পত্রিকার জন্য গাইবান্ধা  জেলার বিভিন্ন উপজেলাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা , উপজেলা, থানা, বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান/এলাকায় প্রনিতিধি নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাসপোর্ট সাইজের এক কপি ছবিসহ সরাসরি অথবা ডাকযোগে সম্পাদক বরাবর আবেদন করুন

প্রকাশক সম্পাদক, সাপ্তাহিক গাইবান্ধার বুকে , গোডাউন রোড, কাঠপট্টী, গাইবান্ধা। ফোন: : ০১৭১৫-৪৬৪৭৪৪, ০১৭১৩-৫৪৮৮৯৮,

তল্লাশি করতে এসে রোগীর টাকা হাতিয়ে নিল পুলিশ

অনলাইন ডেস্ক / ৮৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৪ আগস্ট, ২০২১, ৮:০১ অপরাহ্ন

চোরাই মোবাইল তল্লাশি করতে আসা পুলিশের এক এসআই (উপ-পরিদর্শক)-এর বিরুদ্ধে নারী ক্যান্সার রোগীর টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ ওঠেছে। বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) রাজধানীর রূপনগরে টিনশেড ৬ নম্বর রোডের ৪৪/৫ নম্বর বাড়িতে এমন ঘটনা ঘটেছে ।

শনিবার (২১ আগস্ট) ওই এসআইয়ের বিরুদ্ধে ডিএমপি কমিশনার ও  মহাপুলিশ পরিদর্শকের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন রাশিদা নামের ওই ভুক্তভোগী নারী ক্যান্সার রোগী।

টাকা আত্মসাতে জড়িত ওই এসআইয়ের নাম মাসুদুর রহমান। তিনি রূপনগর থানার পুলিশের  এসআই (উপ-পরিদর্শক) হিসেবে কর্মরত।  ঘটনার   দিন  শুধু টাকা নিয়েই ক্ষ্যান্ত হননি এসআই  মাসুদুর রহমান। তিনি রাশিদাকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ আইনে (পাচানি) চালান দেন।

অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, মৌসুমি ব্যবসায়ী হিসেবে রূপনগর  টিনশেড এলাকায় আমি দীর্ঘদিন বসবাস করছি। ১৯ তারিখ বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে এগারোটায় পুলিশের সোর্স অপুসহ রূপনগর থানার এসআই মাসুদুর রহমান আমার বাসায় আসেন। তারা বলেন আমার বাসায়  ৩০ -৩৫ টি  চোরাই মোবাইল রয়েছে। এ কথা বলে  তারা তল্লাশি শুরু করেন। বাসার  সব  আসবাবপত্র  তছনছ করে ফেলেন।  তল্লাশি শেষে তারা কোন   কিছুই পায়নি। এক পর্যায়ে আমার জমানো আড়াই লক্ষ টাকা নিয়ে এসআই মাসুদ তার  পকেটে ঢুকান। এরপর সে  আমাকে  বলে এ টাকার কথা কাউকে ঘুণাক্ষরে  বললে ৫০ পিস ইয়াবাসহ কোর্টে চালান  দেয়া হবে। এরপর  আমাকে থানায় নিয়ে যান। আমি অনুনয় বিননয় করে তাকে বলি আমি ক্যান্সারের রোগী আমাকে মাদক মামলায়  চালান  দেবেন না। এরপর টাকা ফেরৎ না দিয়ে আমাকে ১ দিনের জন্য পাচানি  মামলা দেয়।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে  রাশিদা বলেন, আমি জরায়ু  ক্যান্সারের রোগী। প্রতি সপ্তাহে আমাকে থেরাপি দিতে হয়। আমি ছোটখাটো ব্যবসা করে সংসার চালাই। থানায় আমার নামে কোনো অভিযোগ কিংবা কোনো মাদক মামলা নাই। কোরবানীর গরু বিক্রির আড়াই লক্ষ টাকা বাসায় গচ্ছিত ছিল। ওই দিন এসআই মাসুদসহ পুলিশের ফরমা অপু তাও নিয়ে গেছে।  এখন ২ দিন পর যে, থেরাপি দিবো সে টাকাও নাই।

তিনি বলেন,  আমি  ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। আমি আমার  টাকা ফেরৎ চাই।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত এসআই মাসুদ বলেন, ‘পুলিশের  হেডকোর্য়াটারে যে কেউ অভিযোগ দিতে পারে। পুলিশের দরজা সবার জন্য খোলা।  অভিযোগ যাচাই বাছাই হবে। আমি ঘটনার সঙ্গে জড়িত কিনা। ওই মহিলাকে যেদিন আটক করেছি সেদিন আরও ৪ জনকে আটক করেছি। তারা খারাপ কাজে জড়িত। বাসায়  লোকজন নিয়ে খারাপ কাজ করে। আপনি নিজে গিয়ে তদন্ত করতে পারেন।’

সূত্রঃ যুগান্তর


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: