বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
নোটিশ

জেলা/উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ : সাপ্তাহিক গাইবান্ধার বুকে প্রিন্ট ও অনলাইন পত্রিকার জন্য গাইবান্ধা  জেলার বিভিন্ন উপজেলাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা , উপজেলা, থানা, বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান/এলাকায় প্রনিতিধি নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাসপোর্ট সাইজের এক কপি ছবিসহ সরাসরি অথবা ডাকযোগে সম্পাদক বরাবর আবেদন করুন

প্রকাশক সম্পাদক, সাপ্তাহিক গাইবান্ধার বুকে , গোডাউন রোড, কাঠপট্টী, গাইবান্ধা। ফোন: : ০১৭১৫-৪৬৪৭৪৪, ০১৭১৩-৫৪৮৮৯৮,

স্বাস্থ্যকেন্দ্র তালাবদ্ধ

অনলাইন ডেস্ক / ৭১ Time View
Update : শনিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২১, ৭:৪৫ অপরাহ্ন

যশোরের মণিরামপুর উপজেলার হরিহরনগর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটি বন্ধ রয়েছে দীর্ঘদিন। এই কেন্দ্রে পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা ও উপসহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসারের পদটি বহুবছর খালি থাকায় এখানে মেলে না কোনো সেবা। অন্য কেন্দ্র থেকে সপ্তাহে দুদিন দুজনকে দায়িত্ব দেওয়া থাকলেও তারা ঠিকমতো ডিউটি করেন না বলে অভিযোগ। ফলে মাসের পর মাস তালাবদ্ধ থাকে কেন্দ্রটি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, একজন পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা (এফডাব্লিউভি), একজন উপসহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার (সেকমো), আয়া ও পিওনসহ চারজনের সমন্বয়ে চলে একটি ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র। সপ্তাহের ছুটির দিন বাদে শনি থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত খোলা থাকে স্বাস্থ্যকেন্দ্র। হরিহরনগর ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আয়া ছাড়া বাকি পদগুলো শূন্য পড়ে আছে। মাঝেমধ্যে আয়া এসে কেন্দ্রটি পরিষ্কার করে বসে থাকলেও গত কয়েকমাস ধরে তিনিও আসেন না।

ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো দেখভালের দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক চন্দ্র শেখর কুণ্ডু বলেন, ৫-৬ বছরের অধিকসময় ধরে হরিহরনগর কেন্দ্রে পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা ও উপসহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসারের পদ খালি রয়েছে। ওই কেন্দ্রের আয়া মাতৃত্বকালীন ছুটিতে রয়েছেন।

ডা. কুণ্ডু বলেন, রোহিতা ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রের এফডাব্লিউভি রিনা পারভেজ ও সেকমো হযরত আলী সপ্তাহে দুদিন করে হরিহরনগর কেন্দ্রে দায়িত্বে থাকেন।

স্থানীয় মনির হোসেন বলেন, ‘ছয়মাস ধরে কাউকে এখানে আসতি দেখিনে। সবসময় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে তালা মারা থাকে। ওষুধ যা আসে ওরা মাইরে খায়।’ এমন অভিযোগে এফডাব্লিউভি রিনা পারভেজ ও সেকমো হযরত আলী জানান, তারা কেউ আজ (২৮ আগস্ট) হরিহরনগর কেন্দ্রে যাননি।

রিনা পারভেজ বলেন, ‘আমি অসুস্থ। কর্মকর্তাদের জানিয়ে বাসায় রয়েছি।’ আর সেকমো হযরত আলী বলেন, ‘অফিসের কাজ থাকায় স্যারদের বলে বাইরে রয়েছি।’

এ বিষয়ে ডা. কুণ্ডু বলেন, তাঁরা দুজন আমাকে কিছু বলেননি। অফিস সময়ে কেন হাজির থাকেননি সেটা জানতে আগামীকাল রবিবার তাদের অফিসে আসতে বলেছি। মণিরামপুর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আব্দুস সাত্তার বলেন, ‘তিন বছর আমি এখানে যোগ দিয়েছি। এসে শুনেছি হরিহরনগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এফডাব্লিউভি ও সেকমোর পদটি খালি আছে। পদ দুটিতে লোক নিয়োগ দেওয়ার জন্য লিখিত আকারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: