fbpx
শনিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২২, ০৩:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
হাততালি দেয়া যাবে তবে চিৎকার করা যাবে না! সাদুল্লাপুরে চাকুরি নিয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে নববধূকে ধর্ষণ ১ কোটি দর্শক একদিনে দেখলেন নুসরাতের সেই ভিডিও সৌদি নারী একসঙ্গে ১০ সন্তানের জন্ম দিলেন শীতের ঠাণ্ডাও শরীরের জন্য উপকারী “রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক” পেলেন গাইবান্ধার পুলিশ সুপার তৌহিদুল ইসলাম সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা সাদুল্লাপুরে জোড়পৃর্বক জমি দখল নিতে মামলা অপপ্রচার ও হুমকী প্রদর্শন ক্যাপ্টেন পরিচয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ায় আব্দুর রাজ্জাক নামে ভূয়া ক্যাপ্টেন আটক মুজিব জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে গাইবান্ধা থিয়েটারের নাটক পরিবেশিত

নদীর পেটে সাত স্কুল ॥ ঝুঁকিতে আরও ১৫ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

অনলাইন ডেস্ক / ১১৫ Time View
Update : শনিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ৬:২৫ অপরাহ্ন

কুড়িগ্রাম জেলার নদ-নদী গুলোর পানি কমে যাবার সাথে সাথে তীব্র ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। এতে জমি জমা সহ স্কুল আর মাদ্রাসা ভাঙ্গছে। এমন অবস্থা নতুন করে স্কুল তৈরীর কোন জায়গা ও আশে পাশে খুঁজে পাচ্ছে না স্কুল কর্তৃপক্ষ। জেলায় তিস্তা, ধরলা, ব্রহ্মপুত্র ও দুধকুমারের ভাঙনে এবার সাতটি প্রাথমিক বিদ্যালয় পানিতে হারিয়ে গেছে। ঝুঁকিতে আছে আরো ১৫টি স্কুল ও মাদরাসা। ভাঙনের কবলে পড়া স্কুলগুলোর মালামাল পড়ে আছে খোলা আকাশের নিচে। ফের স্কুল ভবন নির্মাণের মতো কোনো জমিও মিলছে না। সব মিলিয়ে শিক্ষক, অভিভাবক আর শিক্ষার্থীরা বেশ দুশ্চিন্তায় আছে।

জানা যায়, উলিপুর উপজেলার দলদলিয়া ইউনিয়নের অর্জুন এবং থেতরাই ইউনিয়নের গোড়াই পিয়ার, দালাল পাড়া, হোকডাঙ্গা ও ডাক্তার পাড়া গ্রামে তীব্র নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙনের কারণে পশ্চিম বজরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চেরাগের আলগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বগুলাকুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পানিতে হারিয়ে গেছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে তিস্তার ভাঙনে শতাধিক পরিবারের বসতভিটা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। হুমকির মুখে পড়েছে গোড়াই পিয়ার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রতিদেব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাজারহাটের খিতাবখা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গোড়াই পিয়ার তিয়ারী দাখিল মাদরাসা ও ঠুটা পাইকর হাইস্কুল। এ ছাড়া দুটি কমিউনিটি ক্লিনিক, বাঁধের রাস্তাসহ সাতটি গ্রামের কয়েক শ একর আবাদি জমিও ভাঙনের ঝুঁকিতে আছে।

উলিপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নাদিরুজ্জামান জানান, ‘এ বছর বিলীন হওয়া তিনটি স্কুল পুনর্র্নিমাণের জন্য স্থানীয় ভাবে জমি খোঁজা হচ্ছে।’ এ ছাড়া রৌমারীর ফলুয়ারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ঘুঘুমারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। স্কুলের মালামাল সরিয়ে খোলা আকাশের নিচে রেখে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এক মাস আগে তিস্তার ভাঙনের মুখে পড়ে চর গতিয়াশাম বগুড়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। জমি না পাওয়ায় স্কুল ভবন পুনর্র্নিমাণে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।অন্যদিকে ধরলা নদীর ভাঙনের মুখে পড়েছে সদর উপজেলার ছাট কালুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এই স্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুল গফুর জানান, বিষয়টি বারবার কর্তৃপক্ষকে জানানোর পর তারা কিছু বালুর বস্তা ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করে। কিন্তু তা কার্যকর না হওয়ায় স্কুলটি ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। অভিভাবক একরামুল হক বলেন, ‘নদী থেকে স্কুলের দূরত্ব মাত্র ১০ মিটার। স্কুলটি ভেঙে গেলে এই চরে আর স্কুল হবে কি না সন্দেহ আছে।’ অন্যদিকে রাজারহাট উপজেলার খিতাবখা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে তিস্তা নদীর দূরত্ব মাত্র ১০০ মিটার। পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) পক্ষ থেকে স্কুলটি রক্ষায় জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলা হলেও প্রবল স্রোতে তা ভেসে গেছে। যে কোনো সময় স্কুলের দ্বিতল ভবনটি ভেঙে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম জানান, ভাঙনে বিলীন স্কুলগুলো পুনর্র্নিমাণের জন্য স্থানীয় ভাবে জমি নির্ধারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ভাঙনের মুখে পড়া স্কুলগুলো রক্ষার জন্য জেলা প্রশাসক ও পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলীকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফুল ইসলাম জানান, স্কুল রক্ষার্থে কয়েকটি স্থানে বালুভর্তি জিও ব্যাগ, জিও টিউব ফেলা হচ্ছে। কয়েকটি স্কুল ঝুঁকিমুক্ত করাও সম্ভব হয়েছে বলে জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: