শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন
নোটিশ

জেলা/উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ : সাপ্তাহিক গাইবান্ধার বুকে প্রিন্ট ও অনলাইন পত্রিকার জন্য গাইবান্ধা  জেলার বিভিন্ন উপজেলাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা , উপজেলা, থানা, বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান/এলাকায় প্রনিতিধি নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাসপোর্ট সাইজের এক কপি ছবিসহ সরাসরি অথবা ডাকযোগে সম্পাদক বরাবর আবেদন করুন

প্রকাশক সম্পাদক, সাপ্তাহিক গাইবান্ধার বুকে , গোডাউন রোড, কাঠপট্টী, গাইবান্ধা। ফোন: : ০১৭১৫-৪৬৪৭৪৪, ০১৭১৩-৫৪৮৮৯৮,

গাইবান্ধা জেলা পরিষদের জলাধার ভরাট করে জনদূর্ভোগ সৃষ্টি ও অর্থ হাতিয়ে নেয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন

স্টাফ রিপোর্টার / ১১২ Time View
Update : সোমবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ৬:৪০ অপরাহ্ন

ভরাট করা হচ্ছে গাইবান্ধা জেলা পরিষদ কার্যালয়ের প্রবেশমুখে বহু বছরের পুরনো জলাধারটি। ইতিমধ্যে বালিও ফেলা হয়েছে। কিন্ত এ ব্যাপারে কিছুই জানেন না প্রতিষ্ঠানটির সিইও আব্দুর রউফ তালুকদার। অন্যদিকে জলাধার ভরাট বন্ধে কর্তৃপক্ষকে পত্র দিয়েছে পৌরসভা। এদিকে গাইবান্ধা জেলা পরিষদের জলাধার ভরাট করে জনদূর্ভোগ সৃষ্টি, মার্কেট নিয়ে তালবাহানা ও অর্থ হাতিয়ে নেয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছেন ব্যবসায়ীরা। জেলা পরিষদ মার্কেটের ব্যবসায়ীদের আয়োজনে সোমবার দুপুরে শহরের ডিবি রোডের হকার্স মার্কেটের সামনে এ কর্মসূচী পালিত হয়।

মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য দেন জেলা পরিষদ দোকান মালিক সমিতি’র সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হালিম, শাহিদুদ্দোজা চৌধুরী সুমন, নুর মোহাম্মদ বাবু, আইনুল মিয়া, রফিকুল আজাদ,আহসান হাবীব, সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন জেলা যুব জোটের সভাপতি সুজন প্রসাদ। এ সময় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, নিজের মেয়াদকালের শেষ সময়ে জলাধার ভরাট করে মার্কেট নির্মাণ ও জায়গা লীজ দিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার পায়তারা করছেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান সরকার। জলাধারটি ভরাট হলে শহরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হবে দাবী করে ব্যবসায়ীরা বলেন, দুই বছর আগে মার্কেটে দোকান বরাদ্দের নাম করে ৬২ জন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে কোন রসিদ ছাড়াই প্রায় অর্ধকোটি টাকা নেয়া হয়। কিন্তু মার্কেট নির্মান করা হয়নি। এখন টাকাও ফেরৎ দেয়া হচ্ছে না।

জেলা পরিষদ মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতি’র সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হালিম বলেন, রাতের বেলা তার বাসায় বিছানায় বসে তিনি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকার বান্ডিল ব্যাগে ভরে নিয়েছেন। এখন মার্কেটও নাই, দোকানও নাই, ব্যবসায়ীদের টাকা ফেরৎ বা কোন রসিদ দেয়ারও নাম নাই। মানববন্ধনে বক্তারা ব্যবসায়ীরা জলাধার ভরাট বন্ধ করে মার্কেট নির্মাণ, টাকা ফেরৎ ও প্রকৃত ব্যবসায়ীদের দোকান বরাদ্দের দাবী জানান। মানববন্ধনে জেলা পরিষদের ব্যবসায়ীরা ছাড়াও বিভিন্ন

শ্রেনী পেশার মানুষ অংশ নিয়ে দাবীর সাথে একাত্বতা প্রকাশ করেন। এদিকে জেলা পরিষদের প্রবেশমুখে জলাধার ভরাট বন্ধ করতে শনিবার প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও চেয়ারম্যান বরাবরে পত্র দিয়েছেন গাইবান্ধা পৌরসভার মেয়র মতলুবর রহমান। পানি নিষ্কাশনের জলাধার ভরাট ইমারত নির্মাণ বিধিমালার পরিপন্তি’ উল্লেখ করে জলাধার ভরাটের উদ্দেশ্যে রাস্তায় রাখা বালি অপসারনের অনুরোধ করেন পৌর মেয়র। কিন্তু রবিবারও গাইবান্ধা-নাকাইহাট সড়কে জেলা পরিষদের প্রবেশমুখে জলাধার ভরাটের উদ্দেশ্যে রাখা বালির স্প অপসারণ করা হয়নি।

এব্যাপারে জানতে চাইলে জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুর রউফ তালুকদার বলেন, জলাধার ভরাটের ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্তই তিনি জানেন না। সিইও বলেন, কেন, কি কারনে জলাধার ভরাট করা হচ্ছে, ভরাটের জন্য কত টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে তাও তার অজানা। তবে তিনি পৌরসভার একটি পত্র পেয়েছেন। পত্র মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে। এনিয়ে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান সরকার বলেন, এটি কোন জলাধার নয়, এটি নীচু একটি ডোবা। ডোবার ড্রেণেজ ব্যবস্থা সচল করতে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে দাবী করে তিনি বলেন, মামলা মোকদ্দমাসহ নানা জটিলতা শেষে টেন্ডার প্রক্রিয়া চলছে। মন্ত্রণালয় মার্কেট নির্মাণের যৌক্তিকতা খতিয়ে দেখতে একটি কমিটি করেছে। কমিটির প্রতিবেদনের পর পরবর্তী ব্যবস্থা। দোকান বরাদ্দের জন্য ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়ার বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: