fbpx
বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২২, ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
গাইবান্ধায় শীতজনিত রোগী বাড়ছে গোবিন্দগঞ্জে অক্টোবরের ভালো চাল আত্মসাত করে জানুয়ারিতে দিলেন পঁচা চাল বিয়ের প্রলোভনে গৃহবধূকে ৮ বছর ধর্ষণ দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৩ তম সাদুল্যাপুরের নলডাঙ্গার চেয়ারম্যান প্রার্থীকে আওয়ামীলীগ থেকে বহিস্কার গাইবান্ধায় অসহায় শীতার্ত মানুষের মধ্যে কম্বল বিতরণ সংসদে বিল: সব জেলা পরিষদে সমান সদস্য থাকছে না, বসানো যাবে প্রশাসক গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে ৫ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের সরকারি বই সাড়ে ২৭ হাজার টাকায় বিক্রি পঞ্চমবার বিয়ের পিঁড়িতে চিত্রনায়িকা পরীমনি মিহির ঘোষসহ নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবিতে বাম জোটের বিক্ষোভ

শহরে কয়েকটি স্পটে এনার্জি ড্রিংকসের নামে যৌন উত্তেজক পানীয়ের রমরমা বাণিজ্য

স্টাফ রিপোর্ট / ২০৪ Time View
Update : শনিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২১, ৫:০৩ অপরাহ্ন

গাইবান্ধা পৌরশহরের কয়েকটি স্পটে এনার্জি ড্রিংকসের নামে যৌন উত্তেজক পানীয়ের রমরমা বাণিজ্য। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তৎপরতার অভাবে ক্রমশ তা বাড়ছে। ফলে ধংশের দিকে ধাবিত হচ্ছে যুবসমাজ যাচ্ছে ।
জানা গেছে, যৌন উত্তেজক পানীয় ট্রানার্সপোর্টের মাধ্যমে নিয়ে আসেন এসব ডিলারা। পৌরশহরের নিউ মার্কেট, সার্কুলার রোডে কয়েকটি আয়ুর্বেদিক দোকনে, এলিসা মার্কেটের সামনে, গোধূলী হেটেলের উত্তরে সামনে, পৌরসভা গেটের পূর্ব পার্শে¦ শাপলা মার্কেটে, পুরাতন বাজারের বেশ কয়েকটি মনুহারী দোকানে, গার্লস স্কুল রোড বানীয়ারজান এছাড়াও শহরের বেশকিছু হোমিও ওষুধের দোকানে এনার্জি ড্রিংকসের নামে উত্তেজক পানীয়ের রমরমা বাণিজ্য ।
এসব ডিলার পয়েন্ট থেকে সদরের বিভিন্ন হাটবাজারের মুদিদোকান থেকে শুরু করে ফাস্ট ফুড, বেকারি, পানের দোকানগুলোতে এনার্জি ড্রিংকসের আড়ালে চলছে যৌন উত্তেজক ও নেশা জাতীয় পানীয়ের রমরমা বাণিজ্য।
বিভিন্ন সময়ে মোড়ক পাল্টে ও প্রশাসনের নজর এড়িয়ে এসব উত্তেজক বিক্রি হচ্ছে বহু দিন ধরে। সরকার এগুলো বিক্রি বন্ধ করে দিলেও আবার নাম পাল্টে এসব উত্তেজক পানীয় নতুন নামে বিক্রি হচ্ছে। মাদক সেবিরা কেউ কেউ এগুলো পান করছে ফেন্সিডিলের বিকল্প হিসাবে, আবার অনেক সাধারণ মানুষ এসব ক্ষতিকর যৌন উত্তেজক ও নেশা জাতীয় দ্রব্য পান করছে, এর ক্ষতিকর দিক না জেনেই। এদের মধ্যে আবাল বৃদ্ধ থেকে স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্ররাও রয়েছে।
সরেজমিনে শহরের বিভিন্ন দোকানসহ অলিগলি ঘুরে দেখা যায়, প্রায় দোকানে ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে বিক্রেতারা সুন্দরভাবে সাজিয়ে রেখেছেন এসব যৌন উত্তেজক জিনিসসহ বিভিন্নি ব্র্যান্ডের এনার্জি ড্রিংকস। এসব এনার্জি ড্রিংকসের মধ্যে রযেছে জিংসা, এপেক্স, জিংসিন,ওয়ান, পাওয়ার হর্স, মন পাওয়ার হর্স, ফিলিং হর্স, ব্লাক হর্স, পাওয়ার অব, জিংকারাজাৎ, ম্যান পাওয়ার, রেড বোল্ড, একটিভসহ বিভিন্ন ধরনের পানীয়।
মানব দেহের জন্য কতটা ক্ষতিকর তা না জেনে এসব পানীয় পান করছেন স্থানীয়রা। এ কারণে বাজারে এসব এনার্জি ড্রিংকসের ভাল চাহিদাও রয়েছে। এছাড়াও এসব পানীয় না জেনে অনেকেই বন্ধুদের সাথে আড্ডায় বসে পান করছে। বিশেষ করে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীরা। আবার এসব পান করে অনেকেই লিপ্ত হচ্ছে ধর্ষনসহ বিভিন্ন অসামাজিক কাজে।

বিভিন্ন সূত্র জানায়, এনার্জি ড্রিংকস নামের যেগুলো বিক্রি হচ্ছে তা স্রেফ উত্তেজক পানীয়। এগুলো পান করার পর শরীরে উত্তেজনা সৃষ্টি করে। যারা নিয়মিত এগুলো পান করে তারা আস্তে আস্তে নেশা গ্রস্থ হয়ে পড়ে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক দোকানি জানান, শহরের অধিকাংশ দোকানে এসব বিক্রি হচ্ছে। অনেক ক্রেতা জেনে, আবার অনেক ক্রেতা না জেনে পান করছে এসব পানীয়। এগুলো পান করলে শরীরে সাময়িক উত্তেজনা সৃষ্টি করে। তাই এসব সেবিরা দামের তোয়াক্কা না করেই এগুলো পান করছে।
অন্যদিকে ভাল চাহিদা এবং বেশী লাভের আশায় ক্ষতিকর জানার পরও এগুলো বিক্রি করেছেন বলে একাধিক ব্যবসায়ী জানান। এধরনের পানীয় বিক্রি বা তৈরি করতে ড্রাগ লাইসেন্স প্রয়োজন হয়। কিন্তু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এসব পানীয়ের লাইসেন্স দেয় না। ফলে বাজারে যে পানীয় বিক্রি হচ্ছে তার অধিকাংশ দেশের বাইরে থেকে আসা ও অনুমোদন বিহীন। এমন কি এসব পানীয় পানে হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীরা মারাও যেতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: