fbpx
রবিবার, ০৩ জুলাই ২০২২, ০৫:২৯ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি :

জেলা/উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ : সাপ্তাহিক গাইবান্ধার বুকে পত্রিকার জন্য গাইবান্ধা জেলার বিভিন্ন উপজেলাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা, থানা, বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান/এলাকায় প্রনিতিধি নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও পাসপোর্ট সাইজের এক কপি ছবিসহ সরাসরি অথবা ডাকযোগে সম্পাদক বরাবর আবেদন করুন।প্রকাশক ও সম্পাদক, সাপ্তাহিক গাইবান্ধার বুকে , গোডাউন রোড, কাঠপট্টী, গাইবান্ধা। ফোন: : ০১৭১৫-৪৬৪৭৪৪, ০১৭১৩-৫৪৮৮৯৮

ফিটনেসবিহীন লঞ্চ ও নিম্নমানের সেবা বালাসীতে নৌকায় পার হচ্ছে লোকজন

স্টাফ রিপোর্টার / ১৩৬ বার পঠিত
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৫ মে, ২০২২, ২:৩১ অপরাহ্ন

গাইবান্ধার বালাসীতে ফিটনেসবিহীন লঞ্চ এবং সেবার মান ‘ভালো’ না হওয়ায় নৌকাতেই পারাপার হচ্ছে লোকজন। নৌকা চলাচলে বাধা দেয়ার অভিযোগও রয়েছে। তবে লঞ্চ মালিক সমিতির পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার বালাসী থেকে জামালপুরের বাহাদুরাবাদ নৌরুটে তিনটি লঞ্চ রয়েছে। গত ৯ এপ্রিল উদ্বোধনের পর একটি লঞ্চ বিকল হয়ে যায়। বাকি দুটিও ফিটনেসবিহীন হওয়ায় নিয়মিত চলাচল করতে পারে না এবং তাদের যাত্রী সেবার মানও অতি নিম্ন। ফলে এ অবস্থায় শ্যালো ইঞ্জিনচালিত নৌকায় পারাপার হচ্ছেন যাত্রীরা। একাধিক লঞ্চযাত্রীর অভিযোগে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

গাইবান্ধার তুলসীঘাটের ব্যবসায়ী জোব্বার হোসেন বলেন, একবার লঞ্চে ঢাকায় যাতায়াত করেছি। লঞ্চগুলো পুরোনো ও চলাচলের অনুপযোগী, ফিটনেসবিহীন। তাদের চালকও অদক্ষ। রাতে লঞ্চ চলতে পারে না। ফলে এখন বাধ্য হয়ে নৌকায় যাতায়াত করি। একই অভিযোগ করে ফুলছড়ির কঞ্চিপাড়ার আসাদুজ্জামান হাউলিদার বলেন, পুরনো ও ফিটনেসবিহীন লঞ্চের লোকজনের ব্যবহারও খারাপ। সেজন্যই নৌকায় যাতায়াত করি।

আক্কাস আলী নামে নৌকার এক মাঝি বলেন, ৮-১০বছর থেকে নৌকা চালাই। কোনোদিন কেউ নৌকা চালাতে বাধা দেয় নি। এখন লঞ্চের মালিকদের লোকজন লঞ্চে যাত্রী বাড়াতে নৌকা চলাচলে বাধা দিচ্ছে। নৌকা না চলালে খামু কী?
বালাসীঘাটের ইজারাদার আতাউর রহমান বাদল বলেন, এই ঘাট বিআইডবিøউটিএর কাছ থেকে ইজারা নেওয়া। আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত ইজারার মেয়াদ রয়েছে। লঞ্চ মালিক সমিতি কখনও টোল দেয়, কখনও দেয় না।

গাইবান্ধা বালাসী-বাহাদুরাবাদ লঞ্চ মালিক সমিতির সভাপতি মেহেদী হাসানকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন ধরেননি। পরে মালিক সমিতির সেক্রেটারি আরিফ মিয়া রিজু মোবাইল ফোনে বলেন, তাদের দুটো লঞ্চ চলছে। তবে লঞ্চগুলো ফিটনেসবিহীন নয়, যাত্রী পারাপারে উপযোগী। তারা নৌকা চলাচলে বাধা দেন না। খুব শীঘ্রই আরও লঞ্চ আসবে বলে তিনি জানান।

এ ব্যাপারে ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আলাউদ্দিন বলেন, তাদের করার কিছু নেই, সবটাই দেখে বিআইডবিøউটিএ।

প্রসঙ্গত ব্রিটিশ সরকার ১৯৩৮ সালে তিস্তামুখ ঘাট-বাহাদুরাবাদ নৌরুট চালু করে। এপার গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার তিস্তামুখ ঘাট, ওপারে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরাবাদ ঘাট। উত্তরাঞ্চলের আটটি জেলার মানুষ এ রুটে ঢাকা যাতায়াত করতেন।

১৯৯০ সালে নদীর নাব্য সংকটের কারণে তিস্তামুখ ঘাটটি বালাসীতে স্থানান্তর করা হয়। ২০০০ সাল থেকে এ রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সম্প্রতি ঘাটের উভয় পাশে ১৩৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নৌ টার্মিনাল ভবন নির্মাণ করা হয়। এরপর গত ৯ এপ্রিল বালাসী-বাহাদুরাবাদ রুটে লঞ্চ সার্ভিস উদ্বোধন করেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

সব খবর...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: