fbpx
বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ০৬:১৪ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি :

জেলা/উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ : সাপ্তাহিক গাইবান্ধার বুকে পত্রিকার জন্য গাইবান্ধা জেলার বিভিন্ন উপজেলাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা, থানা, বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান/এলাকায় প্রনিতিধি নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও পাসপোর্ট সাইজের এক কপি ছবিসহ সরাসরি অথবা ডাকযোগে সম্পাদক বরাবর আবেদন করুন।প্রকাশক ও সম্পাদক, সাপ্তাহিক গাইবান্ধার বুকে , গোডাউন রোড, কাঠপট্টী, গাইবান্ধা। ফোন: : ০১৭১৫-৪৬৪৭৪৪, ০১৭১৩-৫৪৮৮৯৮

ধর্ম পরিবর্তন করে বিয়ের পর স্ত্রীকে ফেলে পালালেন স্বামী

স্টাফ রিপোর্টার / ৮৪ বার পঠিত
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২২, ৯:৩৭ অপরাহ্ন
Exif_JPEG_420

প্রতারণার মাধ্যমে ধর্ম ও নাম পরিচয় পাল্টে বিয়ে করে অন্তঃস্বত্বা স্ত্রীকে রেখে পালিয়ে যাওয়া স্বামীর বাড়িতে এসে উঠেছেন এক প্রতারিত গৃহবধু। ফলে বাড়ি ছেড়ে গা ঢাকা দিয়েছেন অভিযুক্ত চঞ্চল দাস ও তার বাবা-মা।
চঞ্চল দাসের বাড়ি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার শালমারা ইউনিয়নের ঘুঘা জেলেপাড়ায়। প্রতারিত গৃহবধু শারমিন জাহান রোজিনাকে গত ১৭ মে মো. আইমান আলী নামের ভূয়া জন্মনিবন্ধন সনদ দেখিয়ে রেজিস্ট্রির মাধ্যমে বিয়ে করে চঞ্চল দাস। সম্প্রতি সে বাড়িতে এসে আর ফিরে না যাওয়ায় স্ত্রী রোজিনা স্বামীর বাড়ির ঠিকানায় এসে জানতে পারেন তার প্রতারণার বিষয়টি।
আজ শনিবার বিকেলে উপজেলার শালমারা ইউনিয়নের ঘুঘা জেলেপাড়ায় গিয়ে দেখা যায়, রোজিনা নামের প্রতারিত ওই গৃহবধু চঞ্চল দাসের তালাবদ্ধ বাড়ির দরজায় বসে আছেন।
তিনি জানান, তার বাড়ি ভোলা জেলার সদর উপজেলার বাঘমারা গ্রামে। গাজিপুরের একটি পোষাক কারখানায় চাকরির সুবাদে মো. আইমান আলী ওরফে চঞ্চলের সঙ্গে তার পরিচয়। মুসলিম হিসেবে পরিচয় দিয়ে চঞ্চল তখন জানিয়েছিল, তার বাবার নাম ইউনুস আলী ও মায়ের নাম রাহিলা বেগম এবং ঠিকানা গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ঘুঘা গ্রামে। এই নামের একটি জন্মনিবন্ধন সনদ দেখিয়ে গাজিপুর সদরের ভবানীপুর কাজী অফিসে এক লাখ টাকার দেনমোহরে তাকে বিয়ে করে। একই গ্রামের ইউনুস আলী নামের একজনকে আত্মীয় পরিচয় দিয়ে বিয়ের সাক্ষী হিসেবেও উপস্থাপিত করে। বর্তমানে তিন মাসের অন্তঃস্বত্বা হিসেবে জানালে তার স্বামী বাড়িতে বেড়াতে এসে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।
রোজিনা আরও জানান, গত বুধবার তিনি এখানে এসে জানতে পারেন চঞ্চলের আসল পরিচয়। তার বাবার নাম শ্রী ঠান্ডারাম দাস ও মা জোসনা রানী দাস। মিথ্যা ধর্মপরিচয় দিয়ে তাকে বিয়ে করায় অনাগত সন্তান নিয়ে তিনি এখন চরম বিপাকে ফেলায় প্রতারক বর ও স্বাক্ষীর বিচার চেয়ে তিনি ওই বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন।
প্রতিবেশীরা জানান, তিনদিন আগে ওই মেয়েটি এখানে আসার পরই চঞ্চল তার বাবা-মা সহ গা ঢাকা দিয়েছে।
ওই ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য সালজার রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মানবিক কারণে মেয়েটিকে এলাকার লোকজন খাদ্য ও রাতে


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সব খবর...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: